প্রদীপ চন্দ্র মম শহরের বাতাসে আজ গন্ধ— বারুদের নয়, অবিশ্বাসের; যে রাস্তায় পুলিশ দাঁড়াতো ঢাল হয়ে, সেই রাস্তায় এখন ভয়, আর নীরব আহাজারি। বুটের শব্দে যে নিরাপত্তা খুঁজত জনতা,
প্রদীপ চন্দ্র মম আজও লাল-সবুজের আকাশে উড়ে সেই পতাকা— কিন্তু তার ভাঁজে ভাঁজে জমে আছে একাত্তরের নারীর কান্না। রক্তে লেখা হয়েছিল স্বাধীনতা, কিন্তু রক্তের দায় মুছে গেল মুখে হাসি
প্রদীপ চন্দ্র মম ঝড় ওঠে— কিন্তু তা আর শুধু গাছ ভাঙে না, এবার তা ভাঙে শোষকের প্রাসাদ, পাথরের দেয়াল কাঁপে বজ্রের মতো রোষে। নদী শুকিয়ে যায়— তবু তার বুক
প্রদীপ চন্দ্র মম কেউ খোলে না বইয়ের দরজা— তারা হেঁটে চলে শূন্য পথ ধরে, চোখ আছে তবু অন্ধকারে বাঁধা ধুলো আর নিঃশব্দ সময়ের ঘেরাটোপে। আর কেউ— পাতা উল্টালে হঠাৎ
প্রদীপ চন্দ্র মম কাশের সাদা ঢেউ— শরতের বুকে গায় আগমনী গান, ধরার হৃদয় ভরে জাগে দেবী ঊষা, আলোয় দিগন্ত প্রাণ। পাতার ঝিরিঝিরি সুর— শিউলি ঝরে দীপশিখার মতো, নদীর তীরে
প্রদীপ চন্দ্র মম প্রাসাদের জানালায়— জ্বলে রঙিন আলো, কিন্তু বাইরে— ক্ষুধার্ত মানুষের চোখে কালো ধোঁয়া, অগ্নির ক্ষতচিহ্ন। এই অন্ধকারেই জন্ম নেয় সাংবাদিক— তার হাতে কলম, যেন বজ্রের মতো ছুটে
প্রদীপ চন্দ্র মম গরিবের কুটিরে এখনো বাতাস ভাগাভাগির সুর তোলে— হাঁড়ির তলায় আঁচ লুকিয়ে ভাতের সুবাস মুখে ভাসে। ধনীর প্রাসাদে গেইটের ছায়া— মানবতা মরে ঠাণ্ডা দেয়ালে; ভিক্ষুক এলেও কণ্ঠ
প্রদীপ চন্দ্র মম ধোঁয়ায় ভরা শহর— শ্বাস নিলে বুকের ভেতর মরুভূমি জমে ওঠে; জল নেই— মুখে কেবল ধুলো, নোনতা ক্ষুধার গন্ধ। বাজারের আগুনে পুড়ে যায় রাত্রির আকাশ— খুন, চাঁদাবাজি,
প্রদীপ চন্দ্র মম পাহাড়ের কোল ধীরে ঢেউ ফোটে, নদীর কোল ঘুরে যায় নিঃশব্দ বাতাস। আমি দাঁড়িয়ে আছি সূর্যের সোনালী ছায়ায়, তবু তোমার অভাব বুকে বাজে অচেনা ব্যথা। ফুলের ভাঁজে
প্রদীপ চন্দ্র মম আমি বিদ্রোহী, আমি বজ্রনাদ, অন্যায়ের পথে করি তাণ্ডব-বাদ। ধর্মের নামে যারা তোলে অগ্নি, তাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠি এখনই। কোরআন বলে— “ফিতনা মহাপাপ”, হত্যার চেয়ে ভয়ংকর সে