কামরুল হাসান বিশ্বাস -অবিশ্বাসের দোলাচলে পড়ে দু’টানা আজ আমার মন, এ যেন বড় কঠিন পরীক্ষা এখন কেমনে হইব তা উত্তরন\ মুক্ত বিহঙ্গের মত স্বাধীন এ মন বাঁধাহীন নীলাকাশে উড়তে চায়
কামরুল হাসান কর্মের গুণে কর্মী মোরা কর্ম করে খাই, কর্মের খুঁজে হন্যে হয়ে এ দিক ও দিক যাই\ ধর্মের চেয়ে কর্ম বড় কর্মের চেয়ে কিছু নাই, আবার কর্মের গুণেই সবে
কামরুল হাসান জন্মদাতা সত্য যেমন সত্য তেমন শিক্ষাদাতা, বাবার চেয়েও আছে বাবা যিনি হলেন জ্ঞানদাতা\ আছে শিক্ষক আছে উস্তাদ আর যে আছে গুরু, এক পাল্লায় ওজন করি মেপে দেখি ভুলটা
কামরুল হাসান কর্মের গুণে কর্মী মোরা কর্ম করে খাই, কর্মের খুঁজে হন্যে হয়ে এ দিক ও দিক যাই\ ধর্মের চেয়ে কর্ম বড় কর্মের চেয়ে কিছু নাই, আবার কর্মের গুণেই সবে
কামরুল হাসান পারি নামের এক প্রেয়সী নারী ছলনার মোহে ফেলে করিল বশ, না বুঝে তার ছল চাতুরী খোয়ালাম সব খ্যাতি মান যশ\ আমি তার আপন হই অতি সেও খুব
প্রদীপ চন্দ্র মম এই হেমন্তে— বাংলার মাটির গন্ধে ভরে ওঠে বুক, ধানের শীষে ঝরে সূর্যের মধুর ধুলো। দিগন্ত জুড়ে সোনালী স্বপ্নের মতো ঝলমল করে মাঠ— যেন নিঃশব্দ কোনো সুরে
প্রদীপ চন্দ্র মম এই হেমন্তে— বাংলার মাটির গন্ধে ভরে ওঠে বুক, ধানের শীষে ঝরে সূর্যের মধুর ধুলো। দিগন্ত জুড়ে সোনালী স্বপ্নের মতো ঝলমল করে মাঠ— যেন নিঃশব্দ কোনো সুরে
প্রদীপ চন্দ্র মম অন্তহীন উৎকণ্ঠায় কাটে রাত্রি— স্বাধীনতার মানচিত্রে দেখি নতুন শৃঙ্খল জেগে ওঠে। সত্য বলা মানেই এখন মৃত্যুকে চুম্বন করা, আর মিথ্যে হাসে আদালতের মঞ্চে— বিচারের পোশাকে অবিচার
কামরুল হাসান পিথ্বী ভর আছে দেখ কত্ত নর-নারী কেউবা নকল আবার কেউবা দেখ আসল, নিজের বেলায় ফোটায় যত্ত কথার ফুলঝুরি আবার কেউবা গুনে সাচা কথায় মাসল\ সাব¦াশ! তুমি লেখে গেছ
কামরুল হাসান বর্ষ পঞ্জির মাস সবে বারো এলো দুই হাজার চব্বিশ সাল, দিনটি ছিল নবেম্বরের ঠিক এগারো জীবন পঞ্জির মহা এক কাল \ নেবার বেলায় সাড়ে ষোল আনা সখি আমার