কামরুল হাসান এসেছে নয়া জামানা এসেছে নয়া দানব অস্থির বিশ^ রাহুর কবলে আজ মানব, যুগের পর বদলায় যুগ কমেনা পেরেশান দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে হয়রান\ নতুন দিন নতুন শাসক
প্রদীপ চন্দ্র মম বাউলের একতারা আজ রাষ্ট্রদ্রোহী, তার সুরে নাকি ভাঙে ক্ষমতার দেওয়াল— তাই এক হাতে লাঠি, আরেক হাতে ফতোয়ার কাগজ, গলা টিপে ধরা হলো গানের নিঃশ্বাস। ভক্তের কপালে
প্রদীপ চন্দ্র মম শীত এলে প্রকৃতি যেন নীরব কোনো ধূসর বস্ত্র পরিয়ে নেয় আপন শরীরে— ধানের গন্ধ-লাগা উঠোনে নারীরা তখন আগুনের মলিন আলোয় দুধ-সুগন্ধি পিঠার ভাঁজে ভাঁজে রচনা করে
কামরুল হাসান কিসের তরে করল তারা তাজা প্রাণ দান কিসের নেশায় গাইল ভাই দ্বিগ বিজয়ের গান, গানে গানে প্রাণে প্রাণে বহু প্রাণে মিলে লক্ষ প্রাণের শক্তিকে তাই এক করে নিলে\
প্রদীপ চন্দ্র মম মানিকগঞ্জের বিকেলে ধুলো উড়ে যায় আজও— কিন্তু সেই ধুলোয় স্বপ্নের দীপ্তি নয়, থাকে আতঙ্কের শীতল কম্পন; পুকুরের জলে ভেসে ওঠে রুদ্ধশ্বাস পালাগানের কাঁপা প্রতিধ্বনি। যে ফকির-বাউলরা
প্রদীপ চন্দ্র মম তোমাকে নিয়ে জমে আছে যত কথা— সবই যেন শুকনো পাতার মতো হেমন্তের বাতাসে উড়ে যায়, আবার ফিরে আসে মন-ভেজানো কোনো সন্ধ্যার জোয়ারে। তুমি একদিন ডাকলে— দিনশেষের
কামরুল হাসান কিসের তরে করল তারা তাজা প্রাণ দান কিসের নেশায় গাইল ভাই দ্বিগ বিজয়ের গান, গানে গানে প্রাণে প্রাণে বহু প্রাণে মিলে লক্ষ প্রাণের শক্তিকে তাই এক করে নিলে\
কামরুল হাসান জন্ম থেকেই বোকা আমি থাকব সারা জীবন ভর চালাক কভু হয়নি তবু বসত আমার বোকার ঘর\ তোমরা যারা চালাক অতি কভু বোকার দলে নেই, তোমাদের সব চালাকি দেখে
প্রদীপ চন্দ্র মম লালে রাঙা বিকেলের গাছ, পাতার ফাঁকে ফাঁকে আগুনের দপদপ— যেন কোনো অলক্ষ্য ঋতুর নিঃশ্বাস হাওয়ায় ছড়িয়ে দেয় তার গোপন ডাক। আকাশের কোণে ভেসে ওঠে একটি আঁকিবুঁকি-মাখা
প্রদীপ চন্দ্র মম আমরা কি এমন মানবতার স্বপ্ন দেখেছিলাম— যেখানে শিশুর হাসি ডুবে যায় অপহরণ আর হত্যার অন্ধকার ছায়ায়, যেখানে গণতন্ত্রের নামে লোহার খাঁচায় বন্দি হয় স্বাধীনতা, আর রাস্তাঘাট