কামরুল হাসান কিসের তরে করল তারা তাজা প্রাণ দান কিসের নেশায় গাইল ভাই দ্বিগ বিজয়ের গান, গানে গানে প্রাণে প্রাণে বহু প্রাণে মিলে লক্ষ প্রাণের শক্তিকে তাই এক করে নিলে\
প্রদীপ চন্দ্র মম মানিকগঞ্জের বিকেলে ধুলো উড়ে যায় আজও— কিন্তু সেই ধুলোয় স্বপ্নের দীপ্তি নয়, থাকে আতঙ্কের শীতল কম্পন; পুকুরের জলে ভেসে ওঠে রুদ্ধশ্বাস পালাগানের কাঁপা প্রতিধ্বনি। যে ফকির-বাউলরা
প্রদীপ চন্দ্র মম তোমাকে নিয়ে জমে আছে যত কথা— সবই যেন শুকনো পাতার মতো হেমন্তের বাতাসে উড়ে যায়, আবার ফিরে আসে মন-ভেজানো কোনো সন্ধ্যার জোয়ারে। তুমি একদিন ডাকলে— দিনশেষের
কামরুল হাসান কিসের তরে করল তারা তাজা প্রাণ দান কিসের নেশায় গাইল ভাই দ্বিগ বিজয়ের গান, গানে গানে প্রাণে প্রাণে বহু প্রাণে মিলে লক্ষ প্রাণের শক্তিকে তাই এক করে নিলে\
কামরুল হাসান জন্ম থেকেই বোকা আমি থাকব সারা জীবন ভর চালাক কভু হয়নি তবু বসত আমার বোকার ঘর\ তোমরা যারা চালাক অতি কভু বোকার দলে নেই, তোমাদের সব চালাকি দেখে
প্রদীপ চন্দ্র মম লালে রাঙা বিকেলের গাছ, পাতার ফাঁকে ফাঁকে আগুনের দপদপ— যেন কোনো অলক্ষ্য ঋতুর নিঃশ্বাস হাওয়ায় ছড়িয়ে দেয় তার গোপন ডাক। আকাশের কোণে ভেসে ওঠে একটি আঁকিবুঁকি-মাখা
প্রদীপ চন্দ্র মম আমরা কি এমন মানবতার স্বপ্ন দেখেছিলাম— যেখানে শিশুর হাসি ডুবে যায় অপহরণ আর হত্যার অন্ধকার ছায়ায়, যেখানে গণতন্ত্রের নামে লোহার খাঁচায় বন্দি হয় স্বাধীনতা, আর রাস্তাঘাট
কামরুল হাসান বিশ্বাস -অবিশ্বাসের দোলাচলে পড়ে দু’টানা আজ আমার মন, এ যেন বড় কঠিন পরীক্ষা এখন কেমনে হইব তা উত্তরন\ মুক্ত বিহঙ্গের মত স্বাধীন এ মন বাঁধাহীন নীলাকাশে উড়তে চায়
কামরুল হাসান কর্মের গুণে কর্মী মোরা কর্ম করে খাই, কর্মের খুঁজে হন্যে হয়ে এ দিক ও দিক যাই\ ধর্মের চেয়ে কর্ম বড় কর্মের চেয়ে কিছু নাই, আবার কর্মের গুণেই সবে
কামরুল হাসান জন্মদাতা সত্য যেমন সত্য তেমন শিক্ষাদাতা, বাবার চেয়েও আছে বাবা যিনি হলেন জ্ঞানদাতা\ আছে শিক্ষক আছে উস্তাদ আর যে আছে গুরু, এক পাল্লায় ওজন করি মেপে দেখি ভুলটা