প্রদীপ চন্দ্র মম এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম— এই বাক্য দিয়ে আমরা রক্তকে গানের মতো গেয়েছি, মৃত্যুকে পতাকার মতো ওড়িয়েছি। রাস্তায় রাস্তায় আগুন হেঁটেছে, মানুষ বুক
প্রদীপ চন্দ্র মম ডামাডোল বাজে রাষ্ট্রযন্ত্র, তবু নীরব কেন প্রহরী? রক্তে ভিজে যায় প্রতিটি সন্ধ্যা, আইন থাকে অন্ধ— অপরাধী হয় নির্ভীক, দায়মুক্ত! এক! দুই! তিন! সংখ্যা নয়—এরা মানুষ ছিল!
কামরুল হাসান অনাদি কাল ধরে প্রবাহমান জীবন নদীর ধারা কখন অতল গহিন কখনবা শুকনা খরা, নদী মরিয়া গেলেও চিহ্ন তার রেখে যায় হয়তো ঘটনাক্রমে কোন ক্ষনে ফের গতি পায়\ দেখিবে
কামরুল হাসান ধান্ধার ঘোরে পড়ে আজ চোখ সবার আন্ধা ভুলে গেছি কবে আমরা কার যে বান্দা, কলা ভেবে মূলা দেখেই পড়েছি বড় লোভে বেকুব বনার দু:খেরে ভাই ছাতি ফাটে ক্ষোভে\
প্রদীপ চন্দ্র মম এই শহরে এখন ঘড়ির কাঁটাও রক্তে হাঁটে— ভোর হয় লাশের খবরে, রাত নামে গুলির শব্দে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ হেঁটে যায় অচেনা অন্ধকারে, তাদের নাম থাকে পুলিশি
প্রদীপ চন্দ্র মম এই ছিল সেই বাংলা— যখন আকাশের নাম ছিল ক্ষুধা, নক্ষত্র ছিল পোড়া ধানের মতো ছড়ানো, আর মানুষের বুক ছিল শূন্যতার মাঠ। রাজা ছিল, ন্যায় ছিল না,
কামরুল হাসান এসেছে নয়া জামানা এসেছে নয়া দানব অস্থির বিশ^ রাহুর কবলে আজ মানব, যুগের পর বদলায় যুগ কমেনা পেরেশান দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে হয়রান\ নতুন দিন নতুন শাসক
কামরুল হাসান এসেছে নয়া জামানা এসেছে নয়া দানব অস্থির বিশ^ রাহুর কবলে আজ মানব, যুগের পর বদলায় যুগ কমেনা পেরেশান দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে হয়রান\ নতুন দিন নতুন শাসক
প্রদীপ চন্দ্র মম বাউলের একতারা আজ রাষ্ট্রদ্রোহী, তার সুরে নাকি ভাঙে ক্ষমতার দেওয়াল— তাই এক হাতে লাঠি, আরেক হাতে ফতোয়ার কাগজ, গলা টিপে ধরা হলো গানের নিঃশ্বাস। ভক্তের কপালে
প্রদীপ চন্দ্র মম শীত এলে প্রকৃতি যেন নীরব কোনো ধূসর বস্ত্র পরিয়ে নেয় আপন শরীরে— ধানের গন্ধ-লাগা উঠোনে নারীরা তখন আগুনের মলিন আলোয় দুধ-সুগন্ধি পিঠার ভাঁজে ভাঁজে রচনা করে