প্রদীপ চন্দ্র মম এটা কোনো “দোষ” না— এটা চরিত্রের ক্ষয়, নীরব এক খুন, যেখানে খুনি নিজেই নিজের বিবেককে খুন করে। আঙুলে স্ক্রল, চোখে আগুন, লজ্জা পড়ে থাকে দরজার বাইরে।
প্রদীপ চন্দ্র মম সন্ধ্যা নামে ধীরে, দেওয়ালে ছড়িয়ে পড়ে ফাটলের আঁচল। একজন মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে— হাতে শেকল, চোখে আকাশের প্রতিফলন। সে কিছু জানে না, শুধু অনুভব করে— সময় তাকে
প্রদীপ চন্দ্র মম আমরা আর মানুষ হবো কবে— এই প্রশ্ন ঝরে পড়ে সন্ধ্যার ধুলোয়, নগরের ফুটপাথে বিশ্বাস পড়ে থাকে ছেঁড়া পাতার মতো, পায়ের নিচে। মানুষ মানুষকে দেখে—চিনে না, চোখে
কামরুল হাসান মাথা আছে নেই মাথা এইটা আবার কেমন কথা, আছে মাথা শুধু গনণাতে সকল ক্ষেত্রে কাজের নাতে\ যেমন মাথা বুদ্ধির কথা অঙ্কের মাথায় কি বোঝায়? বুঝতে হবে বেশ দক্ষতা
কামরুল হাসান জন্মে দুঃখ কম্মে দুঃখ দুঃখ সারা জীবন বরাবর, দুঃখ আমার করনে স্মরনে মরনেও দুঃখ যে চরাচর\ কত কলমধর আর ভাবুক জনা তাদের কথা ইতিহাসে পায় ঠিকানা, তাদের কথাই
মম আজ আকাশে আর মেঘ নেই— ডানা মেলে শুধু শকুনের সভা। বাতাসেও লাগে নখের ঘষা, লোভের চিৎকারে কেঁপে ওঠে দিগন্ত। এই দানবীয় শকুনেরা শুধু মাংসেই তৃপ্ত নয়— চিবিয়ে খায় মানুষের
প্রদীপ চন্দ্র মম বিদায় ২০২৫— তুমি গেলে ধুলো মাখা সন্ধ্যার মতো, ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাস, হতাশার নীলচে ছায়া, পাওয়া–না–পাওয়ার ক্লান্ত পা নিয়ে আমাদের জীবনক্ষেত পেরিয়ে। এই দেশে— নদী শুকিয়েছে কেবল খবরের
আল আমিন মিলু আমি আজও তোমায় খুঁজি— শহরের ভিড়ে, ভাঙা ফুটপাথে, রাত জাগা ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোয়। খুঁজি সেই চোখ দুটো, যেগুলো একদিন আমার সব না বলা কথার ঠিকানা ছিল। তুমি
প্রদীপ চন্দ্র মম এটা কোনো ধর্মের রীতি নয়— এটা রাষ্ট্রীয় অন্ধকারের উৎসব। এখানে প্রশ্ন করলেই সন্দেহ, সন্দেহ করলেই অপরাধ, আর গুজবই হয়ে ওঠে তাৎক্ষণিক আদালত। মিথ্যা অভিযোগের দড়িতে একজন