নিজস্ব প্রতিবেদক জনগণ এখন আর নীরব দর্শক নয়। মানুষ দেখে, বোঝে এবং এখন প্রশ্ন তোলে। আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: যে সরকার একটি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে সৃষ্ট দ্বন্দ্ব
প্রদীপ চন্দ্র মম রিমঝিম বৃষ্টি গেল ধুয়ে, আকাশজুড়ে নীল ঢেউয়ে। পাথর ভেজা পথের ধারে, চাঁদের আলো ঝরে স্নিগ্ধ সারে। পূর্ণিমা চাঁদ হাসে নীরে, মেঘের ফাঁকে খেলে ধীরে। গাছের পাতায়
প্রদীপ চন্দ্র মম ঈদের দিনে কোরবানি, গরু জবাই, উল্লাসবাণী। মাংস ভাগে হইচই, বিবেকের প্রশ্ন—’মনটা কই?’ জবাই ক’রে নীরিহ প্রাণী, বল ছুরি কি দিলো দানী? লোভ, হিংসা, ক্রোধের ছায়া— ওসব
কামরুল হাসান তুমি পাখি আর আমি খাঁচা তোমাতেই ভাই আমার মরা বাঁচা, দুয়ের মাঝে সখ্য জনম জনমের\ জানি একদিন তুমি যাবে ওড়ে শূণ্য খাঁচা ঠিক রবে পড়ে। রঙ্গ রসের এই
প্রদীপ চন্দ্র মম জেগে উঠো! চূর্ণ করো শৃঙ্খল, আকাশে আগুন ধরুক, মহাশূন্যে যুদ্ধের শপথ! আমরা তারা, যারা বেঁচে থাকি— নিষ্পেষিত, অবহেলিত, অচেনা মলিন ইতিহাসে। আমরা কুর্দি, আমরা রোহিঙ্গা, উঁইঘুর মুসলিম,
কামরুল হাসান একটা জংলা পাখি পুষ মানাতে আদর করে খাওয়াই কত যতনে। তবু পাখি নাহি মানে পুষ জংলা কভু আপন হয় না, ভুলেও আমার ছিলনা সেই হুশ\ পাখির লাগি ছাড়লাম
কামরুল হাসান পৃথিবীর অস্তিত্ব অস্বীকার করে আছে কার এমন দু:সাহস? জানি তা নেই কোন মহাবীরের এই ধরা দামে। তাহলে হবে যে তা জীবনকেই অস্বীকার করার প্রয়াস তোমার জীবন বন্দি জান
কামরুল হাসান তোমার আশায় বসে আছি জনম জনম ধরে দিন গেল মোর সন্ধ্যা হল পারঘাটাতে বসে, আন্ধার এল তবুও বন্ধু না আসল ঘরে চুল পাকল কুহু ডাকল দন্ত গেল খসে\
কামরুল হাসান এতদিন যারে তুমি নিজের করে ক’লে আজ কেন তারে দূরে ঠেলে দিলে? আসলে নারীর মন বুঝা বড় দায় একই অঙ্গে নানা রূপ ধরে হায়\ স্বার্থের জন্য কত কি
কামরুল হাসান শুনছি কতই না তোমার জারিঝুরি খেলার ছলে তুমি দেখাও লুকোচুরি, কানে সবার মন্ত্র ঢাল ভুরিভুরি হায়রে এ কেমন তোমার বাহাদুরি\ কে দেয় বল ছয় রিপুকে কুমন্ত্রনা? অলস দেহে