প্রদীপ চন্দ্র মম নির্মল সকাল জেগে ওঠে সহিংস শ্লোগানে, চাকা থামে, থেমে যায় প্রাণ— নীরব রাস্তায় দগ্ধ রোদ যেন কাঁদে, হরতালের নামে শুরু হয় প্রাণের অগ্নিদান। চায়ের দোকান, স্কুলের
প্রদীপ চন্দ্র মম নেতা নেতায় দ্বন্দ্বে জর্জর, ভাষণে আগুন, পথে কবর। মতবিরোধে ঝরে রক্ত, নীরব জনতা, ভয়েতে স্তব্ধ। সমাবেশে বোমা, শ্লোগানে শ্বাস, হয়রানির মামলা—স্বাধীনতার পরিহাস! রাষ্ট্রীয় ছায়ায় চলে খেলা,
প্রদীপ চন্দ্র মম নিশ্ছিদ্র এক অন্ধকারে হেঁটে চলে বাংলাদেশ, আওয়ামীলীগের পলায়নে রাজপথ বিএনপি জামায়াত এনসিপি’র দখলে ইতিহাসে জ্বলছে প্রতিহিংসার আগুন, মুক্তিযুদ্ধের পাতায় আজ পোড়ে সময়ের বিশ্বাস। ধর্মের নাম ধরে
কামরুল হাসান কারন ছাড়া করন নাই ভাই কারন বলতে মানা, বলতে গেলে ভয় পাই কারন আছে যে জানা \ কেন এলাম কেন যাব কি করব কি না করব, কি খাব
প্রদীপ চন্দ্র মম নীরব প্রেমের এক সাদা শিলা, তাজমহল—প্রেমের গাথা বলা। চাঁদের আলোয় কাঁপে তার গায়ে, ভালোবাসা যেন পাথরে ছায়ে। মমতাজের চোখের শেষ আহ্বান— শাহজাহানের হৃদয়-সংগীত প্রাণ। শ্বেত মার্বেলের
প্রদীপ চন্দ্র মম রাস্তায় পড়ে আছে এক মানুষ— না, মানুষ নয়—মানুষের ছায়া, জীর্ণ শরীর, হাতটা বাড়ানো— কেন যেন ধরতে চায় ন্যায় আর দয়া। একটি ইট উঠে গেছে আকাশ ছুঁয়ে—
প্রদীপ চন্দ্র মম নির্জন মাঠে আজ নেমেছে ধূসর আকাশ— বৃষ্টিরা নামে যেন স্মৃতির মতো ধুলো-জমা পাথরের গায়ে। আলো এসে কেঁদে যায় কৃষ্ণচূড়ার ফাঁকে ফাঁকে। ধানের ছায়ায় দাঁড়িয়ে থাকে এক
প্রদীপ চন্দ্র মম চিৎকার করো—কারণ যুক্তির আর দরকার নেই, সামাজিক পোস্টেই এখন ফাঁসির রায় সই। আইনের নামগন্ধ নেই, চোখে আগুন জ্বলে— মানুষ ছিঁড়ে খায় আজ “দেশপ্রেমী” মবের দল। কে
প্রদীপ চন্দ্র মম রক্তে ভেজা রাজপথ ধরে হেঁটে চলে শিশু-কাফেলা, পিঠে ব্যথা, চোখে খরা—তবু থামে না প্রাণের মেলা। মায়ের কোল শূন্য আজ, বাবার মুখে ব্যথার রেখা, বাঁচার তৃষ্ণা ধুলায়
প্রদীপ চন্দ্র মম মনের আকাশে জমেছে যে ধূসর মেঘ, সে কি কেবল বেদনার? না কি সেই বৃষ্টির শব্দে— নতুন কোন পল্লীর ঘ্রাণ জাগে ঘাসফড়িংয়ের ডানায়? পৃথিবীর বুক জুড়ে যখন