
কামরুল হাসান :
প্রবাদে আছে- ‘আদা খায় না, আদার ঝোল খায়’। এতো গেলন আদা না খেলেও যে, আদার ঝোল খায় তার কিছ্ছা। কিন্ত সময় বড় বেসামাল। ‘প্রয়োজন আইন মানে না’ এমন ব্যাপার। তাই সময়ে কেউ কেউ আবার আদা আর ঝোল দুটোই খায়। অর্থাৎ, সময়ে আদা ও আদার ঝোল দুটোই মুখে রোচে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যাসন্ন। ১২ ডিসেম্বরের বাপ্র তথ্যসূত্রে জানা যায়, ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয় ২১ জানুয়ারী। ১০ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত প্রচার-প্রচারনার শেষ সময়। ভোট ও গণভোট একই দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারী। সকাল সাড়ে ৭ টা হতে বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত চলবে।
২৩ জানুয়ারীর বাপ্র-এ প্রকাশিত টিআইবি’র প্রতিবেদনে উল্লেখ, এ নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ৮৯১ জন। শত কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ২৭ জন। প্রার্থীদের ঋণের বোঝা ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। আর ৪৮ শতাংশের বেশী প্রার্থী ব্যবসায়ী। আবার একই দিনের দৈখোকা-এ প্রকাশ এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি দল অংশ নিয়েছে। প্রার্থী সংখ্যা ১ হাজার ৯৮১ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোট প্রার্থী ১৩% (প্রায়)। নারী প্রার্থী দলীয় ৩.৩৮% আর স্বতন্ত্র ১০%। তবে কোন ইসলামী দলেরই নারী প্রার্থী নেই। পেশাগতভাবে ব্যবসায়ী ৪৮ শতাংশ, আইনজীবি ১২.৬১%, শিক্ষকতা ১১.৫৬% আর রাজনীতি ১.৫৬%।
আসল বিষয় হলো- প্রধান দু’দলই তাদের অপছন্দের দলের ভোটারদের কাছে ভোটের জন্য ধন্যা দি”েছ। অব¯’া বেগতিক দেখে- আদা ও আদার ঝোল দুটোই মুখে দিতে চা”েছ। অতএব, তারা আদাও খা”েছ আর আদার ঝোলও খাচেছ। (লেখক: সংবাদ ও মানবাধিকারকর্মী, সংগঠক এবং কলাম ও ফিচার লেখক)।
কামরুল হাসান
০১৯১৪-৭৩৫৮৪২