1. live@dainikjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ 𝟐𝟒 : দৈনিক জামালপুর সংবাদ 𝟐𝟒
  2. info@www.dainikjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ 𝟐𝟒 :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসুন জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সংযত হই সারের বাজারে অস্থিরতা : বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ আগুনের ঘোষণাপত্র চেতনা পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আকনজি তানোরে প্রাইভেটকারে মিলল ১৪৬ বোতল ফেনসিডিল, গ্রেফতার ৩ ডোমারে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এমপির নাম ঘোষণা না করায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মার্চ উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান বওলা স্কুলদর থেকে কোকাইলমুখী প্রায় ৯০০ মিটার সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা, চরম ভোগান্তিতে স্থানীয়রা যমুনার জলে ভক্তি আর ঐতিহ্যের মিলন  : কাওয়ামারায় মহাঅষ্টমীর স্নান উৎসব

ভয় : যেন ভয়ংকর না হয়!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

কামরুল হাসান:

আজ ৭ ডিসেম্বর রোববার সকালে অন্যান্য দিনের ন্যায় পেশাগত কাজে বের হলাম। প্রথমেই দিগপাইত গেলাম। সেখানকার পূর্ব নির্ধারিত কাজ সেরে দিগপাইত ধরনী কান্ত বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গেলাম। সেখানে গিয়ে দুয়েকটা বিষয়ের খোঁজ-খবর নিয়ে গেলাম দিগপাইত শামছুল হক ডিগ্রি কলেজে। অধ্যক্ষ স্যারের সাথে কথা বলে প্রয়োজন শেষে পৌছলাম এডভোকেট খলিলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে। প্রধান শিক্ষকের সাথে বিশেষ একটি অনুষ্ঠানের বিষয়ে কথা বলে চলে আসি। ততক্ষনে বিকেল হয়ে গেছে। ফেরার পথে রাস্তার পাশেই পড়ে দিঘুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ভাবলাম যেহেতু অনেক দিন আসা হয় না, না হয় একটু খোঁজ-খবর নিয়েই যাই। তাই ক্যাম্পাসে ঢুকেই আগে একটা জরুরি কাজ সারতে গেলাম। এমন সময় এক শিক্ষক আমাকে বহিরাগত হিসেবে কোথায় যাচ্ছি জানতে চাইলেন। কারন জানাতেই তিনি আমাকে সে কাজে সহযোগিতা করলেন। ওই সময় তিনি বারান্দায় বসে কার সাথে যেন ফোনে কথা বলছিলেন। পরে পরিচয় হলে জানলাম, তিনি সহকারি শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। অফিস কক্ষের দিকে এগোতেই আরেক ম্যাডামের স্পষ্ট প্রশ্ন-কিছু বলবেন? উত্তরে সাফ জানান দিলাম- হ্যাঁ। তৎক্ষনাতই পাল্টা কোশ্চেন- প্রধান শিক্ষক আছেন? তিনিও স্বভাবিক জবাবে আছেন বললেন। তার নাম এস এম লুবনা জাহান। তিনিও একজন সহকারি শিক্ষক। অফিস কক্ষে ঢুকে নাছিমা ইসলাম নামে অন্য আরেক জন সহকারি শিক্ষককে পেলাম। বসতে বললেন। পরিচয় জানতে চাইলেন। বসলাম, পরিচয়ও দিলাম। ভিজিটিং কার্ড চাইলেন। দিলাম। বোর্ডে প্রধান শিক্ষকের নাম দেখলাম বাবুনী আক্তার। তিনি চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল এ প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। প্রধান শিক্ষককে ডেকে দিতে অনুরোধ করলাম। এমন সময় সহকারি শিক্ষক এস এম লুবনা জাহান আগ বারিয়ে বলতে লাগলেন- প্রধান শিক্ষক আছেন, আপনি বসেন। তিনি আসছেন। দেরি হচ্ছে দেখে প্রধান শিক্ষকের ফোন নাম্বার চাইলাম। তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেন। কারন হিসেবে জানালেন, তার অনুমতি ছাড়া কাউকে ফোন নাম্বার দিতে বারন করেছেন তিনি। এক পর্যায়ে তিনি ঘুরিয়ে বললেন, আসলে প্রধান শিক্ষক অফিসের কাজে জামালপুর গেছেন। আবার বলেছেন, তিনি বেতন উঠাতে গেছেন। যাই হোক, তিনি অফিসের কাজে /প্রয়োজনে বাহিরে যেতেই পারেন। অবাক হওয়ার মত বিষয় হলো- সহকারি শিক্ষক এস এম লুবনা জাহান আমার (লেখকের) উপস্থিতিতে কেমন যেন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। আসলে আপনি কে? আপনার পরিচয়? কার্ড দেখান! কেন আসছেন? কি জানতে চান? এমন একের পর এক নানা প্রশ্ন করছেন। আবার বলছেন- প্রধান শিক্ষক বিসিএস পাস করে এসেছেন। অনুমতি না থাকায় ফোন নম্বর দিতে পারলাম না। তাই বলে কিছু মনে করবেন না। আবার শেষে বলছেন যে, হেড ম্যাডাম এসে যদি জানতে চান- আপনি কেন এসেছিলেন? তাহলে কি বলবো? প্রিয় পাঠক, নিজ গুনে এ সব কাহিনীর সার কথা বুঝে নিবেন। আমার যা বুঝার, তা বুঝে নিয়েছি। তবে- দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে ভয় থাকা ভালো। কিন্তু- কোন মতেই তা যেন ভয়ংকর না হয়! লেখক: কামরুল হাসান, #০১৯১৪-৭৩৫৮৪২# -সংবাদকর্মী, ফিচার ও কলাম লেখক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট