রিমন চৌধুরী,নীলফামারী প্রতিনিধি:
মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে দৈনিক দেশ বুলেটিন পত্রিকার ডোমার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আবরার হোসেন আলভী এবং ডোমার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
রোববার (৮ মার্চ) বেলা ১২টায় ডোমার প্রেসক্লাব হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডোমার পৌরসভার মাদ্রাসাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. শাহিনুর আহম্মেদ। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা জানান, ডোমারের মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলাম তাদের বাবার প্রতিবেশী শ্রী মনিন্দ্র নাথ রায়ের কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। তাদের বাবার মৃত্যুর পর ৪৪ শতক জমির মধ্যে ১৫ শতক জমি নিয়ে মনিন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে শ্রী সুব্রত দেব রায় ভুল দাগ দেখিয়ে মামলা করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরবর্তীতে দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা সুব্রত দেব রায়কে দেওয়ার পর ভুক্তভোগী শাহিনুরের ভাইদের নামে দানপত্র দলিল স্বাক্ষরিত হয়। তবে অভিযোগের কারণে ওই দলিলটি রেজিস্ট্রি হয়নি বলে দাবি করেন তারা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পরবর্তীতে ওই জমি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে একাডেমিক সুপারভাইজার সাফিউল ইসলাম কিনে নেন এবং এরপর থেকে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, এ ঘটনায় সাফিউল ইসলামের পক্ষ নিয়ে সাংবাদিক আবরার হোসেন আলভী তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছেন। সংবাদ প্রকাশের আগে সাংবাদিক আলভী নিউজ না করার জন্য তাদের কাছে টাকা দাবি করেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয় বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
এ বিষয়ে সাংবাদিক আবরার হোসেন আলভী বলেন, “কে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে আমি তাকে দেখে নেব। আমি কোনো অন্যায় করিনি।”
অন্যদিকে ডোমার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাফিউল ইসলাম বলেন, “আমার কিছু জমি শাহিনুর জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। আমি যেন পরবর্তীতে জমি ফিরে না পাই, সে কারণে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।