রবিউল হক (বাবু) ফুলপুর ময়মনসিংহ থেকে :
তথ্য জরিপ প্রতিবেদনে বলা যায় এদের শেল্টার দাতা মূল হোত নামধারী কিছু গুপ্তচরপাতি নেতা/ আন্ডারগ্রাউন্ড ছত্রছায়ায় সমাজের প্রতিনিধিত্ব সমাজ সেবক.....
ফুলপুর তথা বওলা ইউনিয়ন বয়ে তারাকান্দা টু ধোবাউড়া রোড বর্তমান সময়ে গুরুত্বপূর্ণ রোড আগেও ছিলো, মাকদ কারবারি আন্ডার স্টিং ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস (ফেনসিডিল ,ইয়াবা ট্যাবলেট,গাজা সহ নানাবিধ বিদেশি মদ ) চোরাচালানীর রমরমা ব্যবসা....
দেখা বা বলার কেউ নেই.... প্রতিবাদ করলেই হতে হয় শত্রু, পাগল, মাথা খারাপ, বেদপ, বুঝে না নানাবিধ সমালোচনা মুখোমুখি চা স্টল সংসদে অপবাদ লাঞ্চণা ইত্যাদি পোহাতে হয়...এছাড়াও হতে হয় মৃত্যুর মরণ ফাঁদ আন্ডারগ্রাউন্ড প্রতিনিধিত্ব কিশোর গ্যাং যুবসমাজের কবলে....সচেতন মহল......(ব্যাখ্যা আছে অন্য দিন উল্লেখ করা হবে ইনশাআল্লাহ)
বিগত অনেক বছর ধরে, মদ, ইয়াবাসহ গাজার ব্যবসা করে আসছে মাদক ব্যবসায়ী বর্তমান প্রধান ক্রেতা স্কুল পড়োয়া যুবক ছেলেরা, যার কারনে যুব সমাজ আজ ধংশের পথে, আওয়ামীলিগ এর আমলে আওয়ামীলিগের নেতাদের ছত্রছায়ায়, আর ইউনুস সরকারের আমলে বিএনপি বলেন, জাতীয় পার্টি বলেন, জামাত বলেন, স্বতন্ত্র যাই বলেন না কেন সর্বদলীয় আন্ডারগ্রাউন্ড প্রতিনিধিত্ব কিশোর গ্যাং তাদের অপকর্মে জড়িত এমন দৃষ্টান্ত ইতিপূর্বেই আপনারা/ আমরা দেখতে পেয়েছি.....
ভয়াবহ মাদক জুয়া ব্যবসা বন্ধ করার লক্ষ্যে সচেতন মহলের পরামর্শ আশাবাদী ছিলাম.... কিন্তু পরিস্থিতি এমনই ছিলো (সচেতন আইন মহল) চোরাকারবারি সঙ্গে যোগসুত্র তদবির থাকায়, বিরতিহীন ঘোষণা স্থির ছিলাম আবারও নিয়মিত কার্যক্রম চালু রয়েছে ....
ক্রাইম জোন ক্রাইম রিপোর্টে প্রকাশ করছি ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ সর্বদলীয় জামাত ও বিএনপি নামধারী গুপ্ত নেতারা প্রতি সপ্তাহে মাদক চোরাকারবারি সঙ্গে জোক সাজেসে ভালো (অর্থ) টাকা একটা অংশ ভাগ পায়। যারা নাকি অবৈধভাবে ৩ টা থানা পুলিশিং কার্যক্রম মুখ বন্ধ করে শহর গামী করছে + এলাকায় বিভিন্ন ইউনিয়ন গ্রাম বাংলার মানুষের যুবকের হাতে তুলে দিচ্ছে মাদক ব্যবসা.....
পরিশেষে একটি আবেদন উপজেলা প্রশাসন ফুলপুর ময়মনসিংহ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দেশের যুবসমাজকে মাদকের ধংশের হাত থেকে রক্ষা করুন।