
কামরুল হাসান:
এখানে বাতর মানে খেতের আল বা আইল অথবা সীমা। ডিঙ্গাবেন না মানে পেরিয়ে যাবেন না অথবা অতিক্রম করবেন না। মূলত: সীমা অতিক্রম না করার কথাই বুঝানো হয়েছে।
ছোট বেলায় দাদা-দাদী বা নানা-নানী অথবা এ শ্রেণীর অনেকের মুখ থেকে এ বিষয়ে গল্প শুনেছি। হয় তো অনেকেই এ গল্প শুনেছেন। গল্পটি এমন-এক বৃদ্ধের ছেলেরা নানা বিষয়ে বিরক্ত হয়ে বাবা কে বাড়ির বাইরে বের করে আনে। পরে ছেলেরা পরামর্শ করে দূরে কোথাও রখে আসার মত করে। সে অনুযায়ী টেনে হেঁচড়ে বাড়ির দূরে নিয়ে যেতে থাকে। পথে হঠাৎ বাবা বাতর বা আইলে আটকে যায়। আইল থেকে ছাড়ানোর জন্য ছেলেরা আরও জোরে সোরে টানাটানি করতে থাকে। এমন সময় বাবা ছেলেদের অনুরোধ করতে করতে বলে- ও বাবারা আর নিস না। এ বাতর বা আইল ডিঙ্গাস না। ছেলেরা এর কারণ জনতে চাইলে বৃদ্ধ জানালো, সেও তার বাবাকে একদিন এ বাতর বা আইল অর্থাৎ এ জায়গা পর্যন্তই টেনে হেঁচড়ে এনেছিল। তাই তোরও আজ আমাকে এ পর্যন্ত এনেছিস। আজ তোরা যদি আমাকে এর চেয়ে এক ইঞ্চিও বেশি নিস, তাহলে তোদের ছেলেরাও তোদেরকে এর চেয়ে আরও বেশি নিবে। তখন তোদের কষ্ট হবে এ ভেবেই অনুরোধ করছি। আমার কষ্টের জন্য নয়। বরং তোদের ভালোর জন্যই মানা করছি।
এ গল্পের শিক্ষনীয় বিষয় হলো- যে কোন বিষয়েই সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তাতে দুঃখ ও কষ্ট ভোগ করতে হয়। আরেকটি বিষয় হলো- বাবা কখনই সন্তানের দুঃখ ও কষ্ট সহ্য করতে পারে না। বিষয়টি সকলকে মনে রাখা উচিত। অতএব, সকলকেই তার সীমার মধ্যেই থাকা উচিত।
(লেখক: কামরুল হাসান#০১৯১৪-৭৩৫৮৪২# সংবাদ ও মানবাধিকার কর্মী, সংগঠক এবং কলাম ও ফিচার লেখক)।বাতর : ডিঙ্গাবেন না কেউ
কামরুল হাসান: এখানে বাতর মানে খেতের আল বা আইল অথবা সীমা। ডিঙ্গাবেন না মানে পেরিয়ে যাবেন না অথবা অতিক্রম করবেন না। মূলত: সীমা অতিক্রম না করার কথাই বুঝানো হয়েছে।
ছোট বেলায় দাদা-দাদী বা নানা-নানী অথবা এ শ্রেণীর অনেকের মুখ থেকে এ বিষয়ে গল্প শুনেছি। হয় তো অনেকেই এ গল্প শুনেছেন। গল্পটি এমন-এক বৃদ্ধের ছেলেরা নানা বিষয়ে বিরক্ত হয়ে বাবা কে বাড়ির বাইরে বের করে আনে। পরে ছেলেরা পরামর্শ করে দূরে কোথাও রখে আসার মত করে। সে অনুযায়ী টেনে হেঁচড়ে বাড়ির দূরে নিয়ে যেতে থাকে। পথে হঠাৎ বাবা বাতর বা আইলে আটকে যায়। আইল থেকে ছাড়ানোর জন্য ছেলেরা আরও জোরে সোরে টানাটানি করতে থাকে। এমন সময় বাবা ছেলেদের অনুরোধ করতে করতে বলে- ও বাবারা আর নিস না। এ বাতর বা আইল ডিঙ্গাস না। ছেলেরা এর কারণ জনতে চাইলে বৃদ্ধ জানালো, সেও তার বাবাকে একদিন এ বাতর বা আইল অর্থাৎ এ জায়গা পর্যন্তই টেনে হেঁচড়ে এনেছিল। তাই তোরও আজ আমাকে এ পর্যন্ত এনেছিস। আজ তোরা যদি আমাকে এর চেয়ে এক ইঞ্চিও বেশি নিস, তাহলে তোদের ছেলেরাও তোদেরকে এর চেয়ে আরও বেশি নিবে। তখন তোদের কষ্ট হবে এ ভেবেই অনুরোধ করছি। আমার কষ্টের জন্য নয়। বরং তোদের ভালোর জন্যই মানা করছি।
এ গল্পের শিক্ষনীয় বিষয় হলো- যে কোন বিষয়েই সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তাতে দুঃখ ও কষ্ট ভোগ করতে হয়। আরেকটি বিষয় হলো- বাবা কখনই সন্তানের দুঃখ ও কষ্ট সহ্য করতে পারে না। বিষয়টি সকলকে মনে রাখা উচিত। অতএব, সকলকেই তার সীমার মধ্যেই থাকা উচিত।
(লেখক: কামরুল হাসান#০১৯১৪-৭৩৫৮৪২# সংবাদ ও মানবাধিকার কর্মী, সংগঠক এবং কলাম ও ফিচার লেখক)।