নিজস্ব প্রতিবেদক
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নে দৌলতপুর রেলক্রসিং এলাকায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ তুলে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক বলে দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বালু ব্যবসায়ী মিঠু মিয়া।

মিঠু মিয়া অভিযোগ করেন, ‘হাসু সাংবাদিক’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া ওই পোস্টে তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, পোস্টে যমুনা নদী থেকে বুলগেট (ড্রেজার) ও বাংলা ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলনের যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও হাস্যকর।

তিনি আরও জানান, সংযুক্ত কাগজপত্র ও চালানের ছবি অনুযায়ী তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার অনুমোদিত বালু মহাল থেকে নিয়মিতভাবে বালু ক্রয় করে নিজস্ব জমিতে সংরক্ষণ করে বিক্রি করে আসছেন। এখানে অবৈধভাবে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রশ্নই ওঠে না।
মিঠু মিয়ার অভিযোগ, ঘটনার দিন হাসু সাংবাদিক তাঁর কাছে বিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করায় প্রতিশোধমূলকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, “গত চার মাস ধরে যমুনা নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় বুলগেট দিয়ে বালু নামানো সম্ভব হচ্ছে না। এখানে বাংলা ড্রেজার দিয়ে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্ভট কল্পনা ছাড়া কিছু নয়।”
এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা মানে যাচাই-বাছাই ছাড়া অভিযোগ তুলে ধরা নয়। মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কাউকে হেয় করা পেশাগত নীতিমালার পরিপন্থী।
এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।