
গোলাম কিবরিয়া পলাশ ময়মনসিংহ থেকে :
যে বিষয়ে যাদের জ্ঞান ও দক্ষতা কম, সেই বিষয়েই সাধারণত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় এমনটাই প্রচলিত ধারণা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, প্রেস কাউন্সিলের অধীনে আয়োজিত প্রশিক্ষণে একই ব্যক্তি একাধিকবার অংশগ্রহণ করছেন, অথচ অনেক যোগ্য ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক একবারও সেই সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে করে প্রশিক্ষণ বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চলতি বছরেই ময়মনসিংহে একাধিকবার প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বারবার সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে সিনিয়র সাংবাদিক ও পেশাগতভাবে দক্ষ অনেক সাংবাদিক এসব প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনায় সঠিক নীতিমালা অনুসরণ না করায় এই বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন প্রকৃত প্রশিক্ষণপ্রার্থী সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্যও ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে দৈনিক বঙ্গ সংবাদ এর ব্যুরো প্রধান, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। কিন্তু একই ব্যক্তিকে বারবার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে অনেক যোগ্য ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রশিক্ষণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, যারা কখনো প্রশিক্ষণের সুযোগ পাননি, বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের ও সিনিয়র সাংবাদিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। না হলে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।
সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করে কারা কতবার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অঞ্চলভিত্তিক ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক সমন্বয় না হলে ভবিষ্যতেও এমন বৈষম্য চলতে থাকবে।